তাঙ্গুয়ার হাওর থেকে খুলনার সমুদ্র সৈকত — বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের সত্যিকারের অভিজ্ঞতা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
c99 সম্পর্কে যখন কেউ প্রথম শোনেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন জাগে — এই প্ল্যাটফর্মে সত্যিই কি লাভ হয়? শুধু বিজ্ঞাপনের কথা নয়, বাস্তবে মানুষ কী পাচ্ছেন? এই প্রশ্নগুলোর সৎ উত্তর দিতেই আমরা সারা বাংলাদেশে ঘুরে ব্যবহারকারীদের সাথে কথা বলেছি এবং তাদের গল্প লিখেছি।
এখানে যা পড়বেন তা কোনো সাজানো গল্প নয়। কেউ একদিনে কোটিপতি হয়ে গেছেন — এমন মিথ্যা দাবি নেই। বরং আছে সাধারণ মানুষের সাধারণ কিন্তু অর্থবহ অভিজ্ঞতা — কীভাবে তারা c99 ব্যবহার করে নিজেদের বেটিং কৌশল ঠিক করেছেন, কীভাবে প্ল্যাটফর্মকে বুঝেছেন এবং কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতে শিখেছেন।
সুনামগঞ্জের তাঙ্গুয়ার হাওর এলাকায় রাতের বাজারে মাছ বিক্রি করেন সালাউদ্দিন আহমেদ। বয়স ৩৪। স্মার্টফোন কেনার পর থেকে অনলাইনে নানা কিছু দেখতেন। ক্রিকেট তার জীবনের বড় অংশ — বিশেষত বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলা দেখলে ঘুমানো ভুলে যান।
একদিন বাজারে এক বন্ধুর কাছে c99-এর কথা শুনলেন। প্রথমে সন্দেহ ছিল অনেক। কিন্তু বন্ধু নিজের ফোনে দেখাল কীভাবে bKash দিয়ে ডিপোজিট করা যায়, কীভাবে বেট করতে হয়। মাত্র ৩০০ টাকা দিয়ে শুরু করলেন সালাউদ্দিন।
প্রথম মাসে জিতলেন ১,২০০ টাকা। খুব বড় অঙ্ক নয়, কিন্তু তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল বিষয়টা — টাকা সত্যিই ফেরত পাওয়া গেছে। সেই থেকে প্রতি মাসে ক্রিকেট সিজনে নিয়মিত খেলেন। "আমি বড় রিস্ক নিই না। যা বাড়তি থাকে তাই লাগাই। জিতলে ভালো, না জিতলেও সমস্যা নেই।"
"c99-এ প্রথমে অনেক ভয় ছিল। কিন্তু টাকা তোলার পর সব ভয় চলে গেছে। এখন বাজারে বসে রাতে ম্যাচ দেখি আর বেট করি — এটা আমার নিজের ছোট্ট আনন্দ।"
বগুড়ার একটি তাঁতশিল্পী পরিবারের গৃহবধূ রহিমা বেগম। বয়স ৩৮। সারাদিন শাড়ি বোনার কাজে ব্যস্ত থাকেন। স্বামী একটি ছোট ব্যবসা করেন। সংসার চলে, কিন্তু বাড়তি আয়ের সুযোগ তেমন নেই।
ছেলের কাছে c99-এর কথা প্রথম শুনলেন। ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, অনলাইনে অনেক কিছু জানে। সে মায়ের ফোনে c99 ইনস্টল করে দিল এবং বুঝিয়ে দিল কীভাবে লটারি ও ফিশিং গেম খেলতে হয়।
রহিমা বেগম শুরু করলেন মাত্র ২০০ টাকা দিয়ে। লটারিতে তেমন বড় জয় না হলেও ফিশিং গেমে ধীরে ধীরে পারদর্শী হয়ে উঠলেন। "ফিশিং গেমটা আমার কাছে অনেক মজার মনে হয়। এটা খেলতে খেলতে সময় কাটে, আবার টাকাও আসে।"
তিন মাসের মধ্যে c99-এর ক্যাশব্যাক দিয়ে ছেলের জন্য একটা বই কিনেছেন। ছোট অঙ্ক, কিন্তু তার কাছে এটা অনেক বড় অর্জন। প্রতি মাসে ৩০০-৫০০ টাকা বাড়তি আয় তার কাছে অনেক মূল্যবান।
বরিশালের ২৬ বছর বয়সী ফারহান হোসেন একটি ছোট ডিজিটাল প্রিন্টিং শপ চালান। ক্রিকেটের ভক্ত হওয়ার পাশাপাশি ডেটা ও পরিসংখ্যান নিয়ে তার আলাদা আগ্রহ আছে।
c99 ব্যবহার শুরু করেছিলেন এক বছরেরও বেশি আগে। কিন্তু শুধু আবেগে বেট করতেন না — প্রতিটি বেটের আগে দলের সাম্প্রতিক ফর্ম, পিচের অবস্থা এবং আবহাওয়া যাচাই করতেন। এই পদ্ধতিগত দৃষ্টিভঙ্গিই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে।
"আমি একটা নোটবুক রাখি। প্রতিটি বেট কোথায় করলাম, কত করলাম, ফল কী হলো — সব লিখি। এভাবে আমার নিজের ভুলগুলো বুঝতে পারি।" ফারহানের এই অভ্যাস তাকে পরিণত বেটার হিসেবে গড়ে তুলেছে।
c99-এর লাইভ বেটিং সিস্টেম তার বিশেষ পছন্দ। "ম্যাচ শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি দেখে বেট দিলে অনেক ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। আগে থেকে সব ঠিক করে রাখার চেয়ে লাইভ বেটিং আমার কাছে বেশি যুক্তিসঙ্গত মনে হয়।"
গত ছয় মাসে ফারহান c99-এ তার বেটিং থেকে মোট ১৮,০০০ টাকারও বেশি নিট লাভ করেছেন। তবে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, "এটা কোনো জাদু নয়। আমার অনেক বেট ব্যর্থও হয়েছে। কিন্তু শৃঙ্খলা মেনে চললে দীর্ঘমেয়াদে ফলাফল ভালো হয়।"
খুলনার উপকূলীয় এলাকায় ছোট নৌকায় মাছ ধরেন করিম মিয়া। বয়স ৪২। স্মার্টফোন কেনার পর প্রথমে শুধু ইউটিউবে ভিডিও দেখতেন। পরে বন্ধুদের কাছে c99-এর কথা জানলেন।
তিনি শুরু করেছিলেন ক্যাসিনো বিভাগ থেকে — বিশেষত টিন পাট্টি। "আমাদের এখানে আগে থেকেই তাস খেলার অভ্যাস আছে। অনলাইনে একই খেলা পেয়ে অনেক পরিচিত মনে হলো।"
করিম মিয়ার ক্ষেত্রে c99 শুধু বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে — বড় আয়ের প্রত্যাশা তিনি কখনো রাখেননি। মাসে ৫০০ টাকার মধ্যে খেলেন। কখনো ২০০ লাভ হয়, কখনো ৩০০ হারান। "সিনেমা দেখতে গেলেও তো টাকা যায়। এখানে কখনো কখনো ফেরতও আসে।"
তবে করিম মিয়ার একটা নিয়ম আছে — যত হারুক না কেন, ৫০০ টাকার বেশি কোনো মাসে ব্যয় করেন না। c99-এর দায়িত্বশীল গেমিং টুলস এই নিয়ম মানতে তাকে সাহায্য করে। নিজেই সাপ্তাহিক লিমিট সেট করে রেখেছেন।
"c99-এ একটা সুবিধা আছে — নিজে থেকে লিমিট ঠিক করে দেওয়া যায়। এটা আমার মতো মানুষের জন্য দরকার। না হলে হয়তো বেশি খরচ হয়ে যেত।"
"সবচেয়ে ভালো লাগে যখন রাতে নৌকায় ফেরার পর ফোনে c99 খুলি। মাছ ধরার ক্লান্তি অনেকটা কমে যায়। টাকার বিষয়টা সেকেন্ডারি — আসলে আনন্দের জন্যই খেলি।"
তাঙ্গুয়ার হাওর, বগুড়া, বরিশাল, খুলনা — চারটি সম্পূর্ণ আলাদা জায়গা, চারজন সম্পূর্ণ আলাদা মানুষ। কিন্তু তাদের c99 ব্যবহারের অভিজ্ঞতায় কিছু মিল আছে যা মনোযোগ দিয়ে পড়লে বোঝা যায়।
প্রথমত, কেউই রাতারাতি ধনী হননি এবং সেটা তাদের লক্ষ্যও ছিল না। তারা c99-কে দেখেছেন একটি সুবিধাজনক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে — যেখানে নিজের বুদ্ধি ও রুচি অনুযায়ী খেলা যায়।
দ্বিতীয়ত, সবাই ছোট দিয়ে শুরু করেছেন। সালাউদ্দিন ৩০০ টাকা, রহিমা বেগম ২০০ টাকা, ফারহান নির্দিষ্ট বাজেট, করিম মিয়া ৫০০ টাকার সীমা — এই শৃঙ্খলাই তাদের c99 অভিজ্ঞতাকে ইতিবাচক রেখেছে।
তৃতীয়ত, c99-এর প্ল্যাটফর্ম সুবিধা — বাংলা ভাষায় সাপোর্ট, দ্রুত পেমেন্ট, নিরাপদ লেনদেন — এই বিষয়গুলো তাদের প্রত্যেকের মুখে উঠে এসেছে। একটি প্ল্যাটফর্ম তখনই সত্যিকারের বিশ্বাসযোগ্য হয় যখন সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশের মানুষ একই ইতিবাচক কথা বলেন।
সালাউদ্দিন, রহিমা, ফারহান ও করিমের মতো আপনিও c99-এর সাথে নিজের অভিজ্ঞতা তৈরি করুন।
নিবন্ধন করুনসারা বাংলাদেশের হাজার হাজার মানুষ c99-কে বেছে নিয়েছেন তাদের বিশ্বস্ত বেটিং সঙ্গী হিসেবে। আজই যোগ দিন।